– আপনি বাধা দিলেন না কেন?
– কোন অসুবিধে তো নেই, ঠিক আছে।
– আমি… আমি আপনাকে… চাইনি, ভুল করে… মানে…
– আরে বাবা ঠিক আছে বললাম তো।
– মাস কয়েক ধরে মেজাজ খিঁচিয়ে। কিছুই ঠিক যাচ্ছে না, জানেন।
– বুঝতে পারছি।
– খুব ব্যথা হচ্ছে?
– উঁহু। অবশ।
– রক্ত বেরোচ্ছে তো অনেক। আপনি নিশ্চিৎ ডাকবোনা ডাক্তার?
– আপনি ফেঁসে যাবেন।
– আপনি এই অবস্থায় আমার কথা চিন্তা করছেন?
– আপনার নাম?
– …
– পুলিশকে বলব না, আগন্তুকবাবু, অত আয়ু আমার নেই। নাম?
– অখিল।
– ধন্যবাদ অখিলবাবু। ছুরিটা খালে ফেলে দেবেন যাবার সময়। আচ্ছা না, আমায় দিয়ে যান। অবশ্য নিজের পিঠে ছুরি… আত্মহত্যা ধোপে টিকবে না।
– আপনি… আপনি কী বলছেন কী?
– খাল। খাল ই ভালো। একটা কথা রাখবেন অখিলবাবু?
– বলুন।
– কাউকে বলবেন না দয়া করে যে আমি…
– আপনি?
– আমি ছুটি চেয়েছিলাম, অখিলবাবু। নিজে হাতে – দম ছিল না। আর নিজে করলে সবাই হেরো বলবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, অখিলবাবু।
– আপনি কি পাগল?
– বদ্ধ। কাউকে বলবেন না বাধা দিই নি। যেন ভীষণ যুদ্ধ হয়েছিল।
– আমি কিন্তু মারতে চাইনি আপনাকে। শুধু ওয়ালেট…
– ওহ। হ্যাঁ। এই যে, এই পকেটে। ওটা আমার আর লাগবে না। আপনি জানতে চেয়েছিলেন অখিলবাবু, কোনটা বেশি দামী।
– হ্যাঁ, আর আপনি… অমন উত্তর শুনে মাথাটা ঝট করে…
– অখিলবাবু?
– বলুন।
– সাড় ফিরছে। যাবার আগে কাজটা শেষ করে দিয়ে যাবেন?

Advertisements