পাহাড়ের পায়ের তলায় এসে ঘাড় উঁচিয়েও তার মাথার নাগাল পাওয়া যায় না। দুর্লঙ্ঘ পর্বত। চিরতুষারের দেশ। ওপারে পারিজাতপুর। স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা। অর্ধেক রাজত্ব। শর্ত শুধু একটাই, সাহস করে সেই দুর্গম গিরি লঙ্ঘিতে হবে। এবং অদ্য রাত্রি নিশিথেই।

টপকাতে যে হবে, এইটুকু তো জানা, কিন্তু কীভাবে, সেটা সিলেবাসে নেই। চিরস্থায়ী উশখুশ, যাবজ্জীবন যাব-কি-যাব-না। মাঝ ক্রিজ থেকে যদি ফিরিয়ে দেয়? অবধারিত রান আউট। লজ্জায় গর্দান যাবে। এদিকে ইচ্ছে আঠেরো আনা। মাঝখানে গন্ধমাদন। মাউন্ট পাশবালিশ।

এদিকে পিঠ করে শুলো। টের পেলাম। যাইবার পাস। মোক্ষম সুযোগ। নিতেই হবে। আম্পায়ার তর্জনী তুললে ব্যাক টু প্যাভিলিয়ন, কাউচ ফাঁকাই আছে। জয় মা আফ্রোদিতি বলে টুপ করে পাশবালিশ টার সাথে জায়গা বদলে নিলাম। কাঁধের উপর থেকে চুলের গোছা সরাতে গিয়ে বাঁধল বিপত্তিটা। হিমবাহ স্পর্শকাতর হয়, বইতে পড়েছিলাম বটে। হুড়মুড়িয়ে হিমানী সম্প্রপাত নেমে এল আমার উপর।

Advertisements