– গরম জলে গারগল কর। চিঁ চিঁ করে আওয়াজ বেরোচ্ছে তোর গলা থেকে।
– জানিস তো আমার ঘরে একটা ভূত আছে।
– ভূত? শিওর? পেত্নী নয়?
– এক থাপ্পর। সত্যি বলছি, মাইরি, তোকে ছুঁয়ে বলছি। একটা ভূত আছে।
– সে কী করে? আলো নিভিয়ে দেয়? খোনা গলায় কথা কয়? হুটপাট জিনিস পত্তর ফেলে ভয় দেখায়?
– ভয় দেখায়। কিন্তু ওভাবে নয়। 
– তবে?
– কেমন চেপে বসে জানিস? আমি চিৎ হয়ে শুয়ে থাকি যখন, বুকের উপর ভারী হয়ে বসে, দেওয়াল গুলো এগিয়ে আসতে থাকে, সবটা ঘোলাটে অন্ধকার, ছাদটা দেখতে পাই না… খুব ভয় করে তখন, আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি… 
– উপুর হলে শুলেই হয়!
– আঃ! সে আর কতক্ষণ? উপুর হয়ে শুলে ভুত টাকে উপেক্ষা করা হয়। তাড়ানো যায় কি? 
– ওঝা ডাক। 
– কোনো ওঝার কম্ম নয় এ ভূত তাড়ানো। 
– তবে?
– তাই তো ভাবছি… তবে?  নাক খুঁটছিস কেন? ঈশ! নোংরা!
– শোন। এবার থেকে আর চোখ বুজিস না। ভুতেরা তোর ভয় খেয়েই বেঁচে থাকে, তোর কান্না ওদের অমৃত, তোর সুখ ওদের হলাহল। এবার থেকে ভয় দেখালেই হাসবি, বুঝলি? 
– হাহা!
– ওমা হাসছিস কেন অকারণে? 
– হিহি হোহো
– ওকি… ভয় লাগছে কিন্তু আমার এবার… 
– হেহেহেহেহেহেহেহে 
– যাচ্ছি … আমি যাচ্ছি… আর জ্বালাব না…
Advertisements