কেবল আব্দার। চোরাগোপ্তা শাসানি। “এটা চাই, ওটা চাই, বহুদিন কোনো গল্প লিখিস নি আমায় নিয়ে, শেষ কবে দু’লাইন কবিতা পাঠিয়েছিস বল তো?” ইতি তে একটা অনুচ্চারিত “নইলে কিন্তু…” থাকে। কি মুশকিল! রোজ রোজ ঘুমভাঙানি, মানভাঙানি পাই কোত্থেকে?
অপর্ণারা ” চিঠি দিও রোজ” বলেই খালাস, অপূর্ব বাবু কি জাঁতাকলেই না ফেলে গেছেন আমাদের।

” তাড়াচ্ছিস কেন? ”
” আরে! তাড়ালাম কোথায়? হিপো সম হাই তুলছিলি, আল জিভ অবধি দেখতে পেলাম, তাই বললাম এবার ঘুমো…”
” আমি ঘুমিয়ে থাকলেই তোর শান্তি, সব বুঝি…”

ছাই বোঝে অপর্ণারা। গুনগুন করে ‘ হোশ ওয়ালো কো খবর ক্যায়া ‘ গায় আবার।
পাতা উল্টে রিয়েল অ্যানালিসিস পড়ে। কবে নাকি কলেজের ছাদে উঠে…
আয়নায় মুখ ভেটকিয়ে বলে ” ঈশ! গোবিন্দর মা! ”
আমি কাল্পনিক দুধের শিশু গোবিন্দের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করি চুক চুক শব্দে।
তার ভুরু টা থার্ড ব্র্যাকেট হয়ে যায়।
” আমি গোবিন্দর মা? আমার গাল ফোলা বললি? ”
” কি আশ্চর্য! তুই তো নিজেই…”
” তোর কি দায়িত্ব নয় হাঁ হাঁ করে তার প্রতিবাদ করা? তোর উচিত ছিল না চেঁচিয়ে ওঠা ‘ মোটেই না’ বলে? বলা উচিত ছিল কিনা যে মুখ খানা মিষ্টি? ”
” কিন্তু তুই যে… ”
” আবার তর্ক? আমি যা খুশি বলি, তুই বলবি কেন? ”

এই তেত্রিশ কোটি অভিমান ভাঙানোর রসদ অপূর্ব বাবু রেখে জাননি।
অগত্যা…

Advertisements